বিকাশ একাউন্টের মালিকানা ও নাম্বার পরিবর্তন করার নিয়ম দেখুন

মোবাইল ব্যাংকিং এর জন্য বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে বিকাশ। বিকাশ একাউন্ট কি এবং বিকাশ একাউন্ট কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। তবে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার সাথে সাথে বিকাশের কিছু নিয়মাবলী আমাদেরকে জানতে হবে। 


আমাদেরকে অনেক সময় বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে হয়। বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদেরকে অবশ্যই বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম জানতে হবে। বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার উপায় জানার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই আমাদের বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে পারি। 


যেহেতু আমাদেরকে বিভিন্ন সময়ে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে হয় তাই আমাদেরকে অবশ্যই বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করার পদ্ধতি জেনে নেয়া ভালো। আমি এই টিউটোরিয়ালে আপনাদেরকে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার সকল উপায় দেখাবো। 


যদি আপনি বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার পদ্ধতি সম্পর্কে না জানেন তাহলে আশা করছি এই টিউটোরিয়াল থেকে জানতে পারবেন। কারণ এই টিউটোরিয়ালে আমি আপনাদেরকে কিভাবে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে হয় তার উপায় দেখাবো। তাহলে বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম জানতে পুরো টিউটরিয়াল পড়তে ভুলবেন না। 


বিকাশ মালিকানা পরিবর্তন
বিকাশ মালিকানা পরিবর্তন


বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার কারনঃ

সাধারণত বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার অনেক কারণ রয়েছে। আমাদেরকে বিভিন্ন কারণে বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করতে হয়। যেমন আমরা অনেক সময় অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলে ব্যবহার করে থাকি। 


অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার পর পরবর্তীতে আমরা নিজেদের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করতে চাই। কিন্তু একটি নাম্বারে যদি আগে থেকেই বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকে তাহলে আমাদেরকে সেই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে ওই নাম্বারে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে হয়। 


তবে এই কাজ করার জন্য আমাদেরকে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে হয়। এছাড়া আমাদেরকে অনেক সময় বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করতে হয়। যেমন মনে করুন আপনার কাছে একাধিক সিম রয়েছে। এখন যদি আপনি আপনার একটি সিমের বিকাশ একাউন্ট থেকে আরেকটি সিমে বা নাম্বারে সেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করতে চান তাহলে আপনাকে মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে। 


অর্থাৎ বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করার ক্ষেত্রেও বিকাশ একাউন্টের মালিকানা ট্রান্সফার করা জরুরি। এই সকল কারনে আমাদেরকে বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করতে হয়।


আরো পড়ুনঃ বিকাশের লেনদেন দেখার নিয়ম


বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার সুবিধাঃ

বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার সুবিধা অনেক। কারণ আমরা যদি অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করি তাহলে আমাদেরকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়। যেমন মনে করুন যদি আপনার বিকাশ একাউন্ট হঠাৎ বিভিন্ন সমস্যার কারণে বন্ধ হয় তাহলে যার এনআইডি কার্ড দিয়ে আপনার বিকাশ একাউন্ট খোলা সেই বিকাশ একাউন্ট ঠিক করার জন্য তাকে অবশ্যই লাগবে । 


এখন মনে করুন আপনি অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। এখন যদি সেই বিকাশ একাউন্টে কোন ঝামেলা হয় এবং যার এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন সে আপনার হাতের নাগালে না থাকে তাহলে আপনি সেই বিকাশ একাউন্ট ঠিক করতে পারবেন না। এছাড়াও যার এনআইডি কার্ড দিয়ে নিজের বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন সেই ব্যক্তিকে সাথে না পেলে আপনার সেই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে একই নাম্বারে নিজের বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন না।


এছাড়াও আপনি যার এনআইডি কার্ড দিয়ে নিজের বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন সেই ব্যক্তি যদি শত্রুতা করে তাহলে আপনার বিকাশ একাউন্ট চাইলে বন্ধ করে দিতে পারে। এই জন্য আমাদেরকে নিরাপদে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার জন্য বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা উচিৎ। এই ছিল বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার সুবিধা।


আরো পড়ুনঃ বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার নিয়ম


বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার উপায়ঃ

সাধারণত বিকাশ একাউন্টের মালিকানা দুইটি নিয়মে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে। যে দুইদিন কারণে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করা হয় তা হচ্ছে - 


  • বিকাশ একাউন্টের এনআইডি কার্ড পরিবর্তন করে নিজের এনআইডি কার্ড ব্যবহার করার জন্য।

  • বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করে আরেকটি নাম্বারে অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করতে। 


সাধারনত এই দুইটি কারণে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে হয়। আমরা যারা বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করি তারা এই দুইটি কারণেই মালিকানা পরিবর্তন করে থাকি। উপরে বর্ণিত দুইটি কারণে বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার সকল পদ্ধতি জানতে নিচের বিস্তারিত আর্টিকেল পড়ুন।


আরো পড়ুনঃ বিকাশ একাউন্ট নেই এমন নাম্বারে সেন্ড মানি করার উপায়


বিকাশ একাউন্টের এনআইডি কার্ড পরিবর্তন করার নিয়মঃ

আমরা অনেকেই রয়েছি যারা অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলে সেই একাউন্ট নিজেই ব্যবহার করে থাকি। সাধারণত যখন আমাদের এনআইডি কার্ড তৈরি হয়নি তখন আমরা বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার জন্য আমাদের পরিচিত কারো এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলে থাকি। 


তবে পরবর্তী সময় যখন আমাদের এনআইডি কার্ড তৈরি হয় অথবা এনআইডি কার্ড হাতে পাই তখন নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে চাই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমাদের যেই নাম্বারে বিকাশ একাউন্ট আগে থেকেই খোলা রয়েছে সেই নাম্বারে যদি আমরা নিজেদের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে চাই তাহলে আমাদেরকে আগের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করতে হবে। 


আগের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার জন্য আমাদেরকে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে হবে - 


  • আপনি যার এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলেছিলেন তাকে এবং তার এনআইডি কার সাথে নিয়ে অবশ্যই বিকাশ অফিসে যেতে হবে। 

  • আপনাকে বিকাশ অফিসে যেতে হবে। আপনি চাইলেও বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে কল দিয়ে বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন না। কারণ যখন আপনি বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে কল করবেন তখন বিকাশ অফিস থেকে আপনাকে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যেতে বলবে। তাই বিকাশ একাউন্টের মালিককে সাথে নিয়ে আপনার নিকটস্থ কোনো বিকাশের অফিসে যাবেন।

  • বিকাশ অফিসে যাওয়ার পর আপনি তাদেরকে বলবেন যে আপনি আপনার নাম্বারে থাকা বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন। অর্থাৎ আগের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে সেই একাউন্টে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে চাচ্ছেন।

  • অতঃপর বিকাশ অফিসে থাকা ব্যক্তিরা আপনার বিকাশ একাউন্টের এনআইডি কার্ড এবং বিকাশ অ্যাকাউন্টের মালিককে সবকিছু সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখবে। 

  • যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে বিকাশ একাউন্টের মালিকের সাথে কথা বলে তারা আপনার বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিবে। তবে বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার পূর্বে আপনাকে অবশ্যই আপনার বিকাশের ব্যালেন্স 0 করতে হবে। 

  • বিকাশ একাউন্টের ব্যালেন্স 0 করার জন্য আপনারা আরেকটি বিকাশ একাউন্টে আপনার বিকাশ একাউন্টের সকল টাকা সেন্ড মানি করে নিবেন।

  • যখন আপনার বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিবে তখন আপনি চাইলে সেই নাম্বারে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন। তবে মনে রাখবেন আপনি ঐ নাম্বারে বন্ধ করা বিকাশ একাউন্ট আর খুলতে পারবেন না।

  • তবে আপনি চাইলে যে বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করলেন সেই বিকাশ একাউন্ট অন্য নাম্বারে পুনরায় খুলতে পারবেন।


এই ছিল বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে সেই একাউন্টে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলার উপায়। যদি আপনারা একই নাম্বারে অন্যের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকে তাহলে এই উপায়ে সেই বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন। 


আরো পড়ুনঃ বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে ফিরে পাওয়ার উপায়


বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করার নিয়মঃ

অনেক সময় আমাদেরকে বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করতে হয়। যেহেতু আমাদের একাধিক সিম রয়েছে তাই আমরা অনেক সময় একটি নাম্বার থেকে আরেকটি নাম্বারে বিকাশ একাউন্ট ট্রানসফার করতে চাই। যেমন মনে করুন আপনার দুইটা সিম রয়েছে। 


এখন যদি আপনার বিকাশ একাউন্ট গ্রামীন সিমে খোলা থাকে তাহলে আপনি যদি চান আপনার গ্রামীন সিমে থাকা বিকাশ একাউন্ট বাংলালিংক সিমে ট্রান্সফার করবেন তাহলে সেটি খুব সহজেই করতে পারবেন। একটি নাম্বারে থাকা বিকাশ একাউন্ট আরেকটি নাম্বারে টান্সফার করতে চাইলে আপনাদেরকে নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে - 


  • বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করার জন্য আপনাকে বিকাশ একাউন্টের সকল তথ্য অর্থাৎ এনআইডি কার্ড এবং নিজেকে বিকাশ অফিসে যেতে হবে।

  • বিকাশ অফিসে যাওয়ার পর আপনি তাদেরকে বলবেন যে আপনি একটি নাম্বার থেকে আরেকটি নাম্বারে নিজের বিকাশ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করতে চাচ্ছেন। 

  • এরপর বিকাশ প্রতিনিধিরা আপনার বিকাশ একাউন্ট এর সকল তথ্য যাচাই করে আপনার বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিবে। 

  • যেহেতু আপনার বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করে দিবে তাই আপনি সেই অ্যাকাউন্ট অন্য যে কোনো নাম্বারে আবার খুলতে পারবেন। এখন আপনি চাইলে আপনার আরেকটি নাম্বারে নিজে নিজেই খুব সহজেই বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন।

  • তবে আপনি যদি চান তাহলে বিকাশ অফিসের লোকদের মাধ্যমে আপনার যে নাম্বারে বিকাশ একাউন্ট ট্রানসফার করতে চেয়েছিলেন সেই নাম্বারে বিকাশ অ্যাকাউন্ট খুলে নিতে পারবেন।

  • তবে আপনাকে মনে রাখতে হবে বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করার পূর্বে সেই বিকাশ একাউন্টের ব্যালেন্স 0 করার জন্য আপনি আরেকটি বিকাশ একাউন্টে সকল টাকা সেন্ড মানি করে নিবেন। 

  • আপনি যে নাম্বারে নিজের বিকাশ একাউন্ট বন্ধ করবেন সেই নাম্বারে পুনরায় নিজের অর্থাৎ বন্ধ করা বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন না। তবে আপনি চাইলে বন্ধ করা বিকাশ নাম্বারে অন্য যে কারো বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন।


এই ছিল বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করার নিয়ম। আপনারা উপরের দেয়া পদ্ধতি অনুযায়ী একটি নাম্বার থেকে আরেকটি নাম্বারে বিকাশ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন। 


বিকাশ একাউন্টের মালিকানা ও নাম্বার পরিবর্তন নিয়ে এই ছিলো আমার পূর্নাঙ্গ টিউটোরিয়াল। আমি এই পোস্টে আপনাদেরকে কিভাবে বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা পরিবর্তন করতে হয় তার উপায় দেখিয়েছি। এছাড়াও আপনারা এই পোস্ট থেকে বিকাশ একাউন্টের নাম্বার পরিবর্তন করার উপায় জানতে পেরেছেন। 


আরো পড়ুনঃ বিকাশ চার্জ ক্যালকুলেটর ব্যাবহার করার নিয়ম এবং সুবিধা 


পরিশেষে বলতে চাচ্ছিঃ

বিকাশ একাউন্টের মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম নিয়ে এই পোস্ট আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে এবং কাজে আসবে। যদি এই পোস্ট আপনাদের ভালো লাগে এবং কাজে আসে তাহলে কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। এছাড়াও যদি আপনাদের কোথাও বুঝতে সমস্যা হয় অথবা বিকাশ একাউন্ট এর মালিকানা ও নাম্বার পরিবর্তন সম্পর্কে বিস্তারিত আরো কিছু জানতে চান তাহলে কমেন্টে জানাতে পারেন। তবে এরকম মোবাইল ব্যাংকিং সম্পর্কে সকল তথ্য পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক ও গুগল নিউজে ফলো করে পাশে থাকতে ভুলবেন না। 











Share This Article On:

Next Post Previous Post
1 Comments
  • Anonymous
    Anonymous Sep 27, 2023, 8:33:00 AM

    Bikash Is best

Add Comment
comment url